Logo
প্রিন্টের তারিখ: 12 September 2026 | প্রকাশের তারিখ: Sep 12, 2026

সংবাদ শিরোনাম : সুপ্রিম কোর্টের আদেশ উপেক্ষার অভিযোগে খুলনায় ৮ খেয়াঘাটে পারানি আদায় অব্যাহত

সুপ্রিম কোর্টের আদেশ উপেক্ষার অভিযোগে খুলনায় ৮ খেয়াঘাটে পারানি আদায় অব্যাহত

মো: আল-মাহফুজ শাওন 

খুলনায় সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশ উপেক্ষা করে ৮টি খেয়াঘাট ইজারা দিয়ে পারানি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
 
সূত্র জানায়, রূপসাঘাটসহ খুলনার ৮টি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটের ইজারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিআইডব্লিউটিএ ও জেলা পরিষদ, খুলনার মধ্যে আইনি বিরোধ চলমান রয়েছে। ২০১৩ সালে শুরু হওয়া এ বিরোধ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে পূর্ণাঙ্গ শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
 
বিতর্কিত ঘাটগুলোর মধ্যে রয়েছে— রূপসা ঘাট, কাস্টমঘাট, কালীবাড়ী ঘাট, মহেশ্বরপাশা-দৌলতপুর ফেরিঘাট, হার্ডবোর্ড/চন্দনীমহাল ফেরিঘাট, এজানঘাট ও ব্যারাকপুর ঘাটসহ মোট ৮টি ঘাট।
 
জানা গেছে, চলমান মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিআইডব্লিউটিএ খুলনা নদীবন্দরের আওতাধীন এসব ঘাটে ইজারা প্রদান পদ্ধতির ৩৩ (ক) ও (গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমান ইজারাদারকে ৩০ দিন মেয়াদি অস্থায়ী ইজারা কার্যাদেশ দিয়ে আসছিল।
 
বর্তমান ইজারাদার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে সিপি নং-৩১৫৮/২০২৪ মামলা দায়ের করলে আদালত প্রথমে ৮ সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে সেই আদেশের মেয়াদ বর্তমান সময় পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। আদালতের আদেশে চলমান ইজারাদারের “পিসফুল পজেশন অ্যান্ড পজেশন” বজায় রাখার নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।
 
এদিকে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য পুনরায় ইজারা কার্যক্রম শুরু করলে চলমান ইজারাদার গত ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে ইজারা কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত উক্ত ৮টি ঘাটের ইজারা কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার আদেশ দেন।
 
অভিযোগ উঠেছে, আদালতের এ আদেশ কার্যকর থাকা সত্ত্বেও বিআইডব্লিউটিএ’র খুলনা অফিস ঘাটগুলোতে ইজারা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং পারানি আদায় চলছে।
 
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র খুলনা অফিসের উপ-পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতের আদেশের বিষয়ে শুনেছি, তবে এখনো আদেশের কপি হাতে পাইনি।”
 
এ ঘটনায় আদালত অবমাননার প্রশ্ন উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। একই সঙ্গে দ্রুত বিষয়টির আইনগত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
দৈনিক সিলেট টাইমস 24
Developed by ZapStudio Network
🖨️ প্রিন্ট 💾 JPG 📄 PDF